এখানে কিছুই সাইন-আপের পেছনে লুকানো নেই। পুরো প্রক্রিয়াটি পড়ুন, তারপর অ্যাকাউন্ট খুলবেন কি না ঠিক করুন।
সাতটি ছোট ধাপ। শ্রেণি, বিষয়, দিন, বাজেট, এলাকা। প্রতি ধাপেই সেভ হয়, তাই থেমে গিয়ে আবার ফিরে আসা যায়।
প্রকাশের আগে একজন কনসালট্যান্ট ফোন করে টিউশনটি নিশ্চিত করে নেন। এ কারণেই বোর্ডে ভুয়া কোনো টিউশন থাকে না।
যিনি ওই শ্রেণিতে ওই বিষয় পড়ান, আপনার কাছাকাছি থাকেন, আর আপনার সময়ে ফ্রি — কেবল তিনিই আবেদন করতে পারেন।
যাচাইয়ের স্তর, অভিজ্ঞতা আর ম্যাচ পাশাপাশি রেখে তুলনা করুন। পাঁচজনই — ইচ্ছাকৃতভাবে, কারণ ত্রিশজনের তালিকা আর বাছাই থাকে না।
বিষয়, শ্রেণি, যে এলাকায় যাবেন, আর যে সময়ে ফ্রি আছেন। নিজের সম্পর্কে লেখা অনুচ্ছেদ নয় — সময়ের ছকটাই আপনাকে ম্যাচ করায়।
ইমেইল থেকে এলিট ইন্টারভিউ — পাঁচটি স্তর। যেটি অর্জন করেন সেটি আপনার ট্রাস্ট রিং-এ জ্বলে ওঠে, আর অভিভাবক দেখতে পান ঠিক কোনগুলো আপনি পেরিয়ে এসেছেন।
আবেদনের আগেই যোগ্যতা দেখে নেওয়া হয় — খরচের প্রশ্নই ওঠে না, কারণ কোনো খরচ নেই। আবেদন করতে না পারলে কেন পারছেন না আর কী ঠিক করলে পারবেন, দুটোই বলে দেওয়া হয়।
টিউশন সত্যিই শুরু না হওয়া পর্যন্ত আপনার মিডিয়া ফি জমা থাকে। প্রতিশ্রুতির ওপর নেওয়া হয় না।
আবেদন আটকায় যোগ্যতায়, টাকায় নয়। প্রোফাইল অন্তত ৯০% পূর্ণ, ইমেইল যাচাই করা, ওই শ্রেণিতে ওই বিষয় তিনি পড়ান, জেলাটি তাঁর এলাকার মধ্যে পড়ে কিংবা টিউশনটি অনলাইন, আর তাঁর সময়ের সাথে চাওয়া সময়টা মেলে — তবেই আবেদন করা যায়। কোনো একটিতে না মিললে ঠিক কোনটিতে আটকাল আর কী করলে ঠিক হবে, দুটোই বলে দেওয়া হয়।
কেনার মতো কোনো আবেদন ক্রেডিট নেই, আর টাকা দিয়ে জায়গা পাওয়ার কোনো উপায় নেই। যিনি মানানসই নন, তিনি টাকা দিয়ে শর্টলিস্টে উঠতে পারেন না।
একজন অভিভাবক প্রতি বিজ্ঞপ্তিতে বড়জোর পাঁচজন টিউটর শর্টলিস্ট করতে পারেন। এটি মান ধরে রাখার ব্যবস্থা, কোনো পেওয়াল নয় — ত্রিশজন প্রার্থী হাতে থাকা মানে সিদ্ধান্ত হয়ে যাওয়া নয়, বরং নতুন আরেকটা ঝামেলা।

একটি ফর্ম, বিস্তারিত নিশ্চিত করতে পরামর্শকের একটি ফোন, আর সেদিনের মধ্যেই মিলিয়ে দেওয়া টিউটর। আপনার সঙ্গে কথা না বলে কিছুই প্রকাশ করা হয় না।